আদল
মূর্তি নয়, শরীর গড়ি। খড় ও মাটির আদলে আসলে আমারই কাম ও কলা রূপ। সঘন জঙ্ঘার জলরাশি ফুঁসে ওঠে। একরতি স্বর্নখন্ড গোপন রেখেছি তাতে। মাটি লেপি সুউচ্চ মাংস চুড়, বৃন্তে তার হলুদ কুসুম। তোমার সজ্জায় প্রতিবার কিছু ত্রুটি থেকে যায়। আঠারো কলার বিদ্যে আমাকে ঘোরায় অবিরত।
মন্দির প্রাঙ্গন নির্জন হয়েছে আরও। রং-তুলি নিয়ে এইবার মুখোমুখি হওয়া। বাইরে তখন সব ধানগাছ কাঁপে। প্রেমিকার চক্ষুদানে প্রতিবারই মাতৃরূপ হয়...
বর্ণমালা
জোৎস্না মেখে আরো ধবল হয়েছে চরাচর। মাঝে মাঝে চাঁদ খাওয়া মেঘ, অন্ধকার নামিয়ে রাখে কুলহি-পাটানে। দূরে কাশবনের হাওয়া শোনা যায়। কাদাখোঁচা পাখির ঠোঁটে লেজ নেড়েছিল জলরঙা মাছ। পুরোনো স্কুলবাড়িতে এক পাগলী গর্ভিণী হয়। তখন চাঁদের গায়ে লেগে থাকে সলতে পোড়ার দাগ। গাছেদের ছায়াগুলো লিঙ্গের মত দীর্ঘ হয়েছে আজ।মন্দির চাতালের আনখাঞ বিতর্কে কোন সুলুকসন্ধান নেই।
স্কুলবাড়ির দেয়ালে টাঙানো বর্ণমালাগুলি ঝরে ঝরে পড়ছে প্রসব বেদনায়। ম বর্ণের সাথে কিছুতেই আটকানো যাচ্ছে না ' আকার ' চিহ্নটি...
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন