সহজ সরল এই জন্মে
বীজটিকে কোথায় যে দেখেছিলাম, মনে নেই।
চির-মহাকাশে?
হয়ত বা ভোরবেলা অফুর উঠানে, ধিকিধিকি।
সহজ সরল এই জন্ম
বেড়াতে এসে, এক ডালিম গাছ দেখে
আমি স-ব ভুলে গেছি,
লোকেও তো ভুলে যায় ফাগ, ফাগুয়ার আলো।
মিহিনতাল শৈল শুধু মাঝে মধ্যে মনে আসে,
সুদূর দ্বীপের নারাজ বাতাসে 'সাধু সাধু' রব
আম্বাস্থল দাগোবা'তে নাকি কোথায় কোন শ্যাওলাপড়া সায়রকিনারে
শুয়ে আছে জিগরের দোস্ত।
বোধিডালে সিঁদুর দিয়েছিল বলে আজও মনে আছে তাকে, অথবা দেয়নি তাই মনে রাখি এত!
এখন প্রার্থনা করি, বীভৎস ও সুন্দরে শাণিত
নত দোজাহান সোনার পাত্রে যদি না পড়ত!
যদি গাছের শাখার থেকে বিক্ষুব্ধ ঝড়ে হঠাৎ উধাও হত পিওদর্শী রাজা!
ভাবি,
সহজ সরল এই জন্মে
বেড়াতে এসে
সারাপথ আমি ভাবতাম কার এত কথা?
একান্ত লম্পটের দেশে
যেহেতু কিছুই লেখা যাবে না অনহা হাঁসী'র বিষয়ে, তাই ইচ্ছে হল
চর্যাপদ কালের মতো
সেই মাহজাবিন যদি ঝড় ওঠাত
এই একান্ত লম্পটের দেশে।
নতজানু বটের অন্তর থেকে তুলে আনত আচার্য মাটি।
কোনোরূপ ভনিতা না করে
সরফিরা কালস্রোতের সাথে আমিও বাড়িয়ে দিতাম পা।
রহস্যকলস নিয়ে দেবী যদি নাই আসত,
যদি আসত মুন্ডহীন টরসোর সেই অচিন্ত্য।
খাকসার এই পথে হাওয়া বয়ে যেত কি যেত না!
রেখে পদ্মপাতায় কারুকাজ
সেই না আসা দেবীর দিকে চেয়ে
সমস্ত স্বাগতা আদি জীবন এলোমেলো
জানতে চাইতাম নিশ্চয়
কোনো কিছু জাগার আগে ঝড় জাগা আত্মবিক্ষেপ নাকি পথ?
নাকি শূন্যে ধুলো ওড়াউড়ি?
উত্তর খুঁজতে এসে
রুকুর মুদ্রায় সমাসীন নৈরাত্মমণি
আর এত পরিসর
কুশে বেঁধা আকাশ, এই খ…
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন