প্রবচন
সভামঞ্চ আলো
করে এসে বসে কবি।
সুন্দরী বিনয়ী ভদ্র পাঠিকাটি
অতিসাধারণ
সামনের সারিতে বসে, তাকাতে গিয়েই
যতবার চোখে চোখ পড়ে হৃদয়ে ছলাৎ শোনা
যায়।
জিজ্ঞাসুর
প্রত্যুত্তর মুগ্ধতা যে নয়
প্রেক্ষাগৃহে সব মাইক্রোফোন পলকে
নির্বাক।
নির্জন সাজায়
কোন সে গহনে তার রঙ তুলি রাখা
কোন মধুবাতা তার গুমঘরে এতদিন চামর
দোলাত
রমনীয় হতে গিয়ে সন্ধ্যা হল বিষাদ
বিধুর
সেই রাত্রে বাড়ি ফিরে কবি শুধু লিখতে
পারল
একটিই শব্দ ---তিন অক্ষরে ‘ক্ষরণ’
কেটেকুটে যাই লেখে হয়ে যায় শুধু
প্রবচন।
কবুতর
একজন বাজিগর,হাতসাফাইয়ে দারুণ
ওস্তাদ
রীতিমত সংশয় জাগিয়ে চলে যেতে
খুলে বসি তোরঙ্গের ডালা।
কয়েকটা সাপের ডিম, মরচেধরা জাঁতি,
প্রাচীন হামানদিস্তা,আরশোলা, মরা টিকটিকি,
কানাভাঙা থালা, বাটি,পানের ডাবর
আঁতিপাতি খুঁজে দেখি পলাতক দিনগুলি
মানবক ,বিদ্যুন্মালা শার্দুলবিক্রীড়িত
বা
অনুষ্টুপে গাঁথা আছে কিনা
লক্ষ্য অনিকেত হলে উপলক্ষ্য বড় হয়ে ওঠে
এই যেমন বর্জিত দেউল বৎসরান্তে একবার
মেলার প্রাবল্য বুকে সয়ে হয়ে ওঠে জিজ্ঞাসুর
আদুরে অতীত
আয়ুর খোরাক খুঁটে দিনশেষে শুধু
নির্জন কোটরে জাগে ডানা ছেঁড়া ক'টি কবুতর।
ছবিঃ সৌরভ জানা
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন